Skip to main content

Posts




Three Poems by Ria Chowdhury

Epitome of Nothing

Life! A tiny sardonic narrative Takes twists and turns Breaking all tediousness Struggling us to breathe The sombre day, with a bright spark Of Darkness added. And my dog fell ill Also I could not remember the title of the book. Web of words were like riddle And thus I failed. Every time the perpetual denial Comes to cease the kiss. But, begging is cliché She is fairer, I know, with thick mascara. Comparison is tawdry and My libido falls sick when I cry I shunned the malignity And you were left, the only precious thing. You, the center of your world, and, Mine too. With all the blasphemy, climbed The kirkyard And call for someone's death. Just to live, just for freedom. My nobility can't illuminate And my love might fail. Earthquake mitigates pertness As people do sweat and bleed. I pondered while she cried, "Cause death or die" All pupils dilated and she cried again- "If not any just be blind"




দ্রিম দ্রিম ২: কচুরিপানা আর সবুজ জেলি - দোয়েলপাখি দাশগুপ্ত

কচুরিপানা আর সবুজ জেলি
কচুরিপানা
দমদম পার্কের দিক থেকে যশোর রোড যাচ্ছি। ভি আই পি রোড ধরে। বাসে করে। বাসে কয়েকটা অল্পবয়েসি মেয়ে ঝগড়াঝাঁটি করছে। আমি একটা পাবলিক ফোন বুথ থেকে বেরিয়ে আবিষ্কার করেছি যে পার্স ফেলে এসেছি। কিছু খুচরো টাকাপয়সা ছিল, তাই নিয়ে বাসে উঠেছি।
বাসটা বেশিরভাগটাই ফাঁকা। কাচের। খুব আলো-আলো হয়ে আছে ভেতরটা। অথচ সাধারণ পাবলিক বাস, যেটাকে আমি এমনিতে হতচ্ছেদা করে টিনের বাস বলি। রাস্তার দুপাশটা কী সবুজ! আর হলদে-সবুজ ঘাস। রোদে শুকিয়ে যাচ্ছে। আমি কেষ্টপুরে নেমে গেছি। নেমে মনে পড়ে গেল কার বাড়ি খুঁজছি বুঝতে পেরে মেয়েগুলো ঠোঁটের কোণে কীরম ফাজিল হাসি ঝুলিয়ে রেখেছিল। আমারও কেমন একটু লজ্জা লজ্জা ভাব। কান লাল। টের পাচ্ছি।
স্টপ থেকে নেমে একটা রিক্সা নিলাম। রিক্সাটা অদ্ভুত। বসার পর মনে হল একটা টাঙ্গার মতো, পেছনেও আর একটা সিট। কেউ একজন বসে আছে। হঠাৎ রিক্সাওয়ালা প্যাডেল ঘোরাতেই আমার সিটটা সরসর করে উঁচু হতে লাগল। উঁচু হয় তো হয়ই। হতে হতে চারতলা বাড়ির ছাদ অবধি উঁচু হয়ে গেল। নীচে তাকিয়ে বেশ ইনসিকিওরড লাগছে। সবশুদ্ধ পড়ে না যাই। দেখলাম পেছনের সিটটা নিচুই আছে। একজন লোক সেখানে উবু হয়ে বসে। চানাচুর আর …

ছিন্নমূলঃ গুলশনারা খাতুন

ছিন্নমূল
বিড়ির আগুন পড়ে পড়ে টি-শার্টময় ইতিউতি ফুটো। দূর থেকে দেখলে মনে হবে, ইঁদুরে, আরশোলায় কেটেছে। অবশ্য এসব নিয়ে রিজুর ন্যাকামিও ছিল না কোনওদিন, আর মনখারাপ তো নয়ই। এমনিতে আঁতেল-ছাপ জামাপত্তর। হলদে টি-শার্টে কয়েক লাইন সুমন চেয়ে আছে। অথবা গেলবার পৃথ্বীর এনে দেওয়া বাংলাদেশের জামাটাও আদর করেই গায়ে চড়ায়। বুকে-পেটে বিড়ির ফুটো নিয়ে রিজুকে ভিখিরি-কাটিং না দেখালেও, ব্যর্থ কবির জম্পেশ লুক দেয়। রিজু যদিও কবিতা লেখেনি কখনও। উঁহু, একবার, ক্লাস সেভেন, যা নাকি হেভেন, তখন লিখেছিল। হিন্দি ক্লাসের সাবরি মিসকে দেখে। ‘সাবরি মিসের বিশাল বুক/ তাকিয়ে থাকতে বিশাল সুখ/ বুকের মাঝে খাঁজ/ হরেক রকম সাজ’।প্রিন্সিপ্যাল আর বাবার  যৌথ ক্যাল-সহ ক্লাসের হারামি পাবলিকের অকথ্য প্যাঁক মিলিয়ে, হেভেন সেভেন হেল হয়ে গেছিল। তারপর তো টিসি। ইংরাজি মিডিয়ম থেকে সোজা তীর্থপতি। তারপর আর ৩০ বছর কবিতা লেখেনি রিজু। রাদার, কিছুই করেনি। ছবিও আঁকেনি, তবলা শেখেনি, গীটার বাজায়নি, কলেজে লিটল ম্যাগ করেনি। অ্যাস্ট্রো ফিজিক্স পড়ার চোরা বাসনা লুকিয়ে রাখতে রাখতে ছোড়দাদুর চিলছাদের ঘরে মাঝেমধ্যে নানা যন্ত্রপাতি বানিয়ে তারা-টারা দেখত। সে রিজুর গুপ্…

একটি বা দুটি বা অনেকগুলি লেখা নিয়ে এলেন অয়ন ঘোষ

উৎসর্গ : ইংরেজি বর্ণমালার চতুর্থ বর্ণ ও অনভিজ্ঞ ধুম্রসমষ্টিদের
বাদামী চিনির কাছে আনন্দ প্রকাশ য্যনো নববধূ এইসবে ঘোমটা তুলেছে

বসে থাকা মানে বুঝি ভোর হয়ে যাওয়া ভোর কাকে বলে? ভোর ভোর কাকে বলে? অজস্র মুখ এবং হরেক চশমা

তৃতীয় দিন সম্পর্কে আর কিই বা বলবো যখন দ্বিতীয় দিন সম্বন্ধেই এখনও কোনো ধারণা তৈরি হচ্ছে না তৃতীয় দিন সম্পর্কে আর কি বলবো যখন দ্বিতীয় দিন সম্পর্কে এখনও কোনো ধারণাই তৈরি করা যাচ্ছে না এবং তুমি ডুপ্লিকেট চাবিগুলো স্বতন্ত্রভাবে হারাচ্ছো ফলত সর্দি গড়িয়ে পড়ছে

বাড়ি থেকে বেড়োনোর আগে একটা ঐতিহাসিক ভুল হয়ে গেলো এবং এখন এমনকি রুমালের পরিবর্তে কিছু পাওয়ার কথা নয়

তিনটি লেখাঃ রিপন হালদার

ঘামপেরেক
মন্ত্র বিছিয়ে শুয়ে আছি গড়িয়ে পড়ছি, আবার
সমুদ্র
গিলে ফেলছি
নাক থেকে চুঁইয়ে পড়া একবিন্দু ঘাম
সিন্ধু
তোমার নথ হচ্ছে
না
পেরেক...
দিন রাস্তা খাতা বিছানা গেঁথে গেঁথে চলে যাচ্ছে... যেদিকে
তোমার বাড়ি আর কলেজের দীর্ঘ...
যেদিকে তোমার কাজল
ঘাম থেকে ঘাম পর্যন্ত জানলা


ধারাবাহিক পর্ব দুই - পুরুষ-নারী কেলেঙ্কারিঃ অধীশা সরকার

পুরুষ – নারী কেলেঙ্কারী দুই
**************
প্রয়োজন আছে?
একটা সময় ছিল যখন আমি নিজেই বলতাম, “নাঃ... আমি ফেমিনিস্ট নই”। এতে সঙ্গিসাথী ছেলেপুলের দল (কারণ আমার মেয়ে বন্ধু অনেক বড় বয়েস পর্য্যন্তুই খুব কম) অতি উল্লাসে ধুয়ো ধরত, “ঠিক ঠিক! ফেমিনিজম আবার কি? হিউম্যানিজম, বল?” কেন এই কথাটা আমরা বলতাম? কেন আমি বলতাম? কেন বলতাম যে আমি ফেমিনিস্ট নই? আজকের সমাজে একজন সচেতন নারীর ফেমিনিস্ট না হওয়ার ঠিক কি যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকতে পারে? তার কি সত্যিই আর কোনো উপায় আছে ফেমিনিজমকে উপেক্ষা করার? না। তাহলে কেন বলতাম? মানেটা খুব সহজ। তখন আমি ‘ফেমিনিজম’ শব্দটা কথাবার্তায়, আড্ডায়-তর্কে খুব সাবলীলভাবে ব্যবহার করলেও শব্দটা নিয়ে আমি তত ভাবিনি। একটা ধোঁয়াটে আইডিয়া ছিল। তেমন জানতামও না। অতএব, ভাবিনি।

চারটি বারীন-চেতনা : বারীন ঘোষাল

বর্ফানি বাবা
বরফের মনে বরফ পড়ছে তখন সাদা কালোর যুগ পোড়া মন এসব কথার কথায় খুব রোমাঞ্চ হবে যা ক্যামেরা পারেনি ং     ং          ং কত কাল ধরে নির্জন মানুষের কানে উদ্বাস্তু গুঞ্জন তাদের গুম্ফা তাদের বর্ফানি বাবা # যেদিন তোমাতে আমাতে আলোতমা আলতামাশা আলতামিরা আলকায়দা খেলা চলছিল আর তোমাকে বলছিলাম বনসবুজের তৃণ নয় মধুকুপি ঘাস আমাকে দেখিও সোনা # কাচ ভেঙ্গে যাবার পরেও গেলাসের জলে নামছিল একটা দানারং-এর সবুজ # পরিচ্ছদে কলম গোঁজা আর কোটরে চোখ বন্যা আর অবন্যার দেশে এরকম দখল নিচ্ছো ওগো ধোঁয়াময়


Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS